প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 30, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 30, 2026 ইং
সাবেক সভাপতি-ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কেন নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে রাজধানীর মালিবাগের আবুজর গিফারী কলেজের সাবেক সভাপতি ড. আবু নাছের আহম্মেদ ইশতিয়াক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহাম্মদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। কলেজের বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ মামুন চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার নূর-উল-মতিন।
যেভাবে বিরোধের শুরু
মামলার নথি থেকে জানা যায়, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবুজর গিফারী কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ মামুন চৌধুরীকে অপসারণ করে। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। গত ২৩ জুন হাইকোর্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সিদ্ধান্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।
পরে সাবেক সভাপতি ড. ইশতিয়াক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফরিদ আহাম্মদ হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে লিভ টু আপিল করেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর চেম্বার জজ আদালত সকল পক্ষকে স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাসকো) বজায় রাখার আদেশ দেন এবং হাইকোর্টের রুল ছয় সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।
আদেশ অমান্যের অভিযোগ
আইনজীবী নূর-উল-মতিনের অভিযোগ, চেম্বার জজ আদালতের আদেশ থাকার পরও সাবেক সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গভর্নিং বডির কার্যক্রম চালানোর উদ্যোগ নেন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে গভর্নিং বডির সভা আহ্বান করা হয় এবং কলেজের ব্যাংক হিসাব পরিচালনার অভিযোগ ওঠে, যা আদালতের আদেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এ ঘটনায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হলেও তারা কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন। পরে অধ্যাপক মামুন চৌধুরী হাইকোর্টে কনটেম্পট পিটিশন দায়ের করেন।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, আদালত অবমাননার অভিযোগে কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। আদেশ অমান্য করে কার্যক্রম চালালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছেন আদালত।
এই ওয়েবসাইটের সকল ছবি ও ভিডিও অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার করা নিষেধ। উক্ত নিউজ পোর্টালটির নিবন্ধন কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।